আমাদের কথা

সম্পাদনা পরিষদ

প্রধান উপদেষ্টা

অধ্যাপক ড. মতিন রহমান

নির্বাহী সম্পাদনা পরিষদ

– অ্যাডভোকেট রুহী শামসাদ আরা
– ডা. রথীন্দ্র নাথ সরকার রবিন
– ড. মো. মারুফ নাওয়াজ
– কৃষিবিদ মো. বশিরুল ইসলাম

সম্পাদনা পরিষদ

– তছলিমা খাতুন
– উম্মে সালমা কেয়া
– শেলিনা শেলী
– সাজেদুল আলম রিমন
– ম. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া
– মো. রবিউল ইসলাম রবি
সভাপতির বাণী
প্রিয় সুধী,
জগতের আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ”

পিবজা নামের ছোট্ট সংগঠনটি আজ ক্ষুদ্র অঙ্গন থেকে বিশাল পৃথিবীর চৌকাঠে দাঁড়িয়ে অবারিত আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছেই অগ্রযাত্রা শুরু করেছে। ছোট-বড় আয়োজনের মাঝে পিবজার সক্ষমতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০০৮ সালে পিআইবির ছাত্র বাদল ভাই, নবীন ভাই, হাদি ভাইসহ অনেকেই স্বপ্ন দেখেছিলেন অ্যালামনাই গড়ার। সেই স্বপ্নের পথে তাঁরা হেঁটে একটা গোড়াপত্তন করেছিলেন এবং ২০১৬ সালে পিআইবির তৎকালীন ডিজি শাহ আলমগীর স্যারের সার্বিক সহযোগিতায় পিবজার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এ পর্যায়ে পিআইবির প্রথম ব্যাচের দেওয়ান সাইদুল হাসান ভাই অনেক পরিশ্রম করেন।

গতবছর পিবজার দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচনে একটা গণতান্ত্রিক চর্চার প্রতিফলন ঘটে। পিবজার সদস্যরা দূর দুরান্ত থেকে চলে আসেন ভোট দিতে, চমৎকার একটা উৎসবের আমেজে নির্বাচন হয়। সদস্যগণের সাধারণ প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো এবং বিভিন্ন স্তরের সদস্যের স্বার্থ ভারসাম্যপূর্ণ রেখে কর্মসূচী গ্রহণ করলে সংগঠন এগিয়ে যায় ।
ব্র্যাক প্রতিষ্ঠার শুরুতে স্যার ফজলে হাসান আবেদ বলতেন আজ থেকে ৫০ বছর পরে ব্র্যাক টপ লিডিং সংস্থা হবে সে বিবেচনায় আজ পরিকল্পনা করবেন। আমরাও স্বপ্ন দেখি পিবজা একটা বড় প্ল্যাটফর্ম হবে এবং একজন সদস্য হিসেবে আত্মতৃপ্তির আনন্দে ভাসব।
পিবজার উপদেষ্টা পর্ষদে যাঁরা আছেন সবাই প্রাজ্ঞজন। তাদের অভিভাবকত্ব আমাদের সম্মানিত করেছে। কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সদস্য মারুফ নাওয়াজ ভাইয়ের কাছে যার আন্তরিক চেষ্টায় পিবজার সাংবাদিক সদস্যরা জাতীয় গণমাধ্যমে ইনস্টিটিউট থেকে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং মুজিবনগরে পিকনিক আয়োজন সফল হয়েছে। যাদের নিয়ত উৎসাহে আমরা স্বপ্ন দেখি তাঁরা আমাদের সম্মানিত সদস্যগণ, যাদের সহযোগিতায় আমরা পথ চলছি। সতত পাশে থাকার আহবান রইল তাদের কাছে।
সুভেনিয়র কমিটিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা তাদের অবিরাম পরিশ্রমের জন্যে। বিজ্ঞাপনদাতাগণকে ।
আমি সকলের মঙ্গল কামনা করছি।
ধন্যবাদ জানাই
WhatsApp Image 2025-03-20 at 12.02.18 PM

- রুহী শামসাদ আরা

f68e605f-058e-477e-b726-26d359b26206

- ডাঃ রথীন্দ্র নাথ সরকার (রবিন)

সিনিয়র মেডিকেল অফিসার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সাধারণ সম্পাদকের বাণী

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত পিআইবি জার্নালিজম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (পিবজা)। এই সংগঠনে ২০২৩-২৫ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে আমাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ করেন সম্মানিত সদস্যবৃন্দ । সম্মানিত সদস্যদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নতুন কমিটি নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান, ডেঙ্গু সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ ও পথ সভা, সাংবাদিক নাদিম হত্যার বিচার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন, কবিতা সন্ধ্যা, স্বাধীনতার সূতিকাগার মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর কমপ্লেক্সে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বার্ষিক বনভোজন ও অভিষেক অনুষ্ঠান, ইফতার ও দোয়া মাহফিল, জাতীয় দিবস পালনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। এছাড়া ক্রিয়া সম্পাদকের নেতৃত্বে শারীরিক সুস্থতায় শরীর চর্চা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১ বছরের সাংবাদিকতার মাস্টার্স ডিগ্রী প্রদানের জন্য সহ-সভাপতি এম এ মোনায়েমকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের রেজিস্ট্রেশনে কাজ চলমান। আশাকরি, শীঘ্রই রেজিস্ট্রেনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব।
আমাদের এই স্মরণিকা আলোর মুখ দেখতে পাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, বহুমাত্রিক সহযোগিতা। একাজে আমাদেরকে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মাত্রায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কেউবা লেখা দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে, কেউ বিজ্ঞাপন দিয়ে, কেউবা বিজ্ঞাপন সংগ্রহকরে, কেউবা উৎসাহ দিয়ে আমাদের কাজকে এগিয়ে নিতে শক্তি যুগিয়েছেন।
আমাদের এ চলারপথে সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দ এবং সম্মানিত পৃষ্ঠপোষকগণ তাঁদের মূল্যবান পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করায় আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে যে ব্যর্থতা আছে তার সবটুকুই আমার । আজ সংগঠন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এটা হয়ত আমাদের স্বার্থকতা।

আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে স্মরণিকায় যদি কোন সদস্যেরে পরিচিতি স্থান না পায় কিংবা পরিচিতিতে কোন ত্রুটি থাকলে তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। এ ধরনের ত্রুটি আমাদের নজরে আনলে আমরা তা সংশোধন করবো ।
পরিশেষে বলতে চাই, কালের যাত্রাপথে আমাদের এ পথচলা উজ্জীবিত হোক সকল হৃদয়, উন্মুক্ত হোক সকলের তরে। যেন হাত ধরাধরি করে পার হতে পারি বাধার বিন্ধ্যাচল। জাতীয় কবির ভাষায়, ‘শুভ যাত্রার লগনে কালের শঙ্খ বাজিছে ওই: কে দেখাবে পথ, প্রদীপ তুলিয়া নিশীথ রাতের বন্ধু কই’?

Scroll to Top