সাধারণ সম্পাদকের বাণী
- আমাদের কথা
- বাণী
- সাধারণ সম্পাদকের বাণী
- ডাঃ রথীন্দ্র নাথ সরকার (রবিন)
সিনিয়র মেডিকেল অফিসার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সাধারণ সম্পাদকের বাণী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত পিআইবি জার্নালিজম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (পিবজা)। এই সংগঠনে ২০২৩-২৫ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে আমাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ করেন সম্মানিত সদস্যবৃন্দ । সম্মানিত সদস্যদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নতুন কমিটি নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান, ডেঙ্গু সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ ও পথ সভা, সাংবাদিক নাদিম হত্যার বিচার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন, কবিতা সন্ধ্যা, স্বাধীনতার সূতিকাগার মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর কমপ্লেক্সে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বার্ষিক বনভোজন ও অভিষেক অনুষ্ঠান, ইফতার ও দোয়া মাহফিল, জাতীয় দিবস পালনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। এছাড়া ক্রিয়া সম্পাদকের নেতৃত্বে শারীরিক সুস্থতায় শরীর চর্চা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১ বছরের সাংবাদিকতার মাস্টার্স ডিগ্রী প্রদানের জন্য সহ-সভাপতি এম এ মোনায়েমকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের রেজিস্ট্রেশনে কাজ চলমান। আশাকরি, শীঘ্রই রেজিস্ট্রেনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব।
আমাদের এই স্মরণিকা আলোর মুখ দেখতে পাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, বহুমাত্রিক সহযোগিতা। একাজে আমাদেরকে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মাত্রায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কেউবা লেখা দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে, কেউ বিজ্ঞাপন দিয়ে, কেউবা বিজ্ঞাপন সংগ্রহকরে, কেউবা উৎসাহ দিয়ে আমাদের কাজকে এগিয়ে নিতে শক্তি যুগিয়েছেন।
আমাদের এ চলারপথে সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দ এবং সম্মানিত পৃষ্ঠপোষকগণ তাঁদের মূল্যবান পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করায় আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে যে ব্যর্থতা আছে তার সবটুকুই আমার । আজ সংগঠন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এটা হয়ত আমাদের স্বার্থকতা।
আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে স্মরণিকায় যদি কোন সদস্যেরে পরিচিতি স্থান না পায় কিংবা পরিচিতিতে কোন ত্রুটি থাকলে তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। এ ধরনের ত্রুটি আমাদের নজরে আনলে আমরা তা সংশোধন করবো ।
পরিশেষে বলতে চাই, কালের যাত্রাপথে আমাদের এ পথচলা উজ্জীবিত হোক সকল হৃদয়, উন্মুক্ত হোক সকলের তরে। যেন হাত ধরাধরি করে পার হতে পারি বাধার বিন্ধ্যাচল। জাতীয় কবির ভাষায়, ‘শুভ যাত্রার লগনে কালের শঙ্খ বাজিছে ওই: কে দেখাবে পথ, প্রদীপ তুলিয়া নিশীথ রাতের বন্ধু কই’?